বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

দালাই লামা থেকে শেখ হাসিনা: বিতর্কিতদের আশ্রয়দাতা ভারত?

Author

হাবিব আল মিসবাহ , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬ পাঠ: ৩৫ বার


দিল্লির পান্ডারা রোডের একটি ছোট্ট বাড়ি। ১৯৭৫ সাল। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর সদ্য স্বজনহারা এক তরুণী সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন, নাম তার শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী পর, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, সেই একই ভারতের মাটিতে ফিরলেন। এবার আর শোকার্ত এক তরুণী নয়, বরং নিজ দেশে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক ক্ষমতাচ্যুত সরকারপ্রধান হিসেবে। ইতিহাসের এই বৃত্ত সম্পূর্ণ হওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভারতের আশ্রয়নীতির সবচেয়ে জটিল ধাঁধা।

 

দালাই লামা, তাইবা কিংবা তেনজিনের মতো নাম না জানা লাখো তিব্বতি, যুদ্ধবিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কান তামিল পরিবার, আর এখন এক পলাতক প্রধানমন্ত্রী। এদের গল্প, অপরাধ কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় কোনোটাই এক নয়। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় সবার গল্প একটি জায়গায়, একটি ভূখণ্ডে এসে মেলে- ভারত।

প্রশ্নটা তাই এখন আর কেবল কূটনৈতিক মহলের নয়, খোদ ভারতের নিজস্ব পরিচয়ের। দেশটি কি সত্যিই নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়দাতা, নাকি প্রয়োজনমতো আশ্রয়কে কূটনীতির দাবার গুটি বানিয়ে ফেলে?

 

শেখ হাসিনার ঘটনায় প্রশ্নটা আরও তীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর তাকে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। ঢাকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণ চেয়েছে। অথচ তিনি এখনো বাংলাদেশের কারাগারে নন, আছেন ভারতেই। ফলে এটি এখন শুধু একটি বিচারিক মামলা নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সবচেয়ে স্পর্শকাতর কূটনৈতিক সংকট।

 

ভারতের আশ্রয়ের কোনো আইন নেই, তবু আশ্রয়ের দীর্ঘ ইতিহাস আছে

মজার বিষয় হলো, ভারতের কোনো সুনির্দিষ্ট শরণার্থী আইনই নেই। দেশটি ১৯৫১ সালের জাতিসংঘ শরণার্থী কনভেনশন কিংবা ১৯৬৭ সালের প্রোটোকল, কোনোটিতেই স্বাক্ষর করেনি। অর্থাৎ কাকে আশ্রয় দেওয়া হবে, কাকে দেওয়া হবে না, এই সিদ্ধান্ত অনেকটাই নির্ভর করে সরকারের সেই মুহূর্তের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা-বিবেচনার ওপর। আইন নেই বলেই প্রতিটি আশ্রয়দানের পেছনে থাকে একেকটি আলাদা গল্প, আলাদা হিসাব-নিকাশ।

সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণটি অবশ্যই দালাই লামার। ১৯৫৯ সালে তিব্বতে চীনা দমননীতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পর, ১৪তম দালাই লামা তুষারাবৃত হিমালয় পাড়ি দিয়ে ৩১ মার্চ ভারতের সীমান্তে পৌঁছান। ভারত সরকার তাকে আশ্রয় দেয়, আর তার পেছন পেছন আসতে থাকেন হাজারো তিব্বতি। আজ প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার তিব্বতি শরণার্থী ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বাস করছেন, ধর্মশালায় গড়ে উঠেছে তিব্বতি নির্বাসিত প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র- নিজস্ব সংসদ, স্কুল, মঠ নিয়ে এক আস্ত সমান্তরাল রাষ্ট্রব্যবস্থা। অক্সফোর্ডের গবেষণাও বলছে, ১৯৫৯ সালের পর ভারতই হয়ে ওঠে তিব্বতি নির্বাসিতদের সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘস্থায়ী আশ্রয়স্থল।

কিন্তু এই মানবিকতার পেছনেও ছিল ঠান্ডা মাথার ভূরাজনীতি। চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধে জর্জরিত ভারতের কাছে তিব্বত ইস্যু ছিল কৌশলগত এক তুরুপের তাস। মানবিকতা আর স্বার্থ, এই দুইয়ের রেখা এখানে এতটাই মিশে গেছে যে আলাদা করে চেনা কঠিন।

 

দালাই লামাই শেষ কথা নয়। ১৯৬৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা চাকমা ও হাজং জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ আশ্রয় নেয় উত্তর-পূর্ব ভারতে, সরকার তাদের নিবন্ধন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে। আবার ১৯৮৩ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার জাতিগত সংঘাতের আগুন থেকে বাঁচতে বিপুলসংখ্যক তামিল পাড়ি জমান ভারতে। ২০১৫ সালের সরকারি হিসাবেই যাদের সংখ্যা ছিল এক লাখেরও বেশি। তামিলনাড়ুর শিবিরে থাকা এই মানুষদের খাদ্য, অর্থসহায়তা, পোশাক জুগিয়েছে ভারত সরকার। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ভাষ্যও একই, কয়েক দশক ধরে ভারত নানা বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জন্য সমাধান খুঁজে দিয়েছে।

অথচ এই একই ভারত রোহিঙ্গাদের প্রশ্নে সম্পূর্ণ ভিন্ন, বরং কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কারণ আইন নেই বলেই আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত সব সময় নীতির প্রশ্ন নয়, রাজনীতিরও প্রশ্ন।

যেখানে শেখ হাসিনার গল্প আলাদা হয়ে যায়

দালাই লামা ছিলেন এক নির্যাতিত জাতির ধর্মীয়-রাজনৈতিক নেতা, পালিয়ে আসা এক গোটা জনগোষ্ঠীর প্রতীক। শ্রীলঙ্কান তামিল বা চাকমা-হাজংদের প্রশ্নেও মূল বিষয় ছিল যুদ্ধ আর জাতিগত নিধন থেকে বাঁচার লড়াই। কিন্তু শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে গল্পটা সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে বইছে, এখানে আছেন এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান, যার বিরুদ্ধে নিজ দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ২০২৪ সালের গণআন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার হয়েছে, দণ্ড হয়েছে। তিনি নিজে অবশ্য এই বিচারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই প্রত্যাখ্যান করেছেন।

 

বাংলাদেশের দাবি স্পষ্ট আর অবিচল, ভারত তাকে ফেরত দিক। কিন্তু ২০২৬ সালের জুলাইয়েও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য ছিল কূটনৈতিক ভাষার আড়ালে ঢাকা। দিল্লির বক্তব্য, “অনুরোধ পাওয়া গেছে, প্রযোজ্য আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” বাস্তবে এই ভাষাই বলে দেয়, সিদ্ধান্ত এখনো ঝুলে আছে।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় আড়ালে থেকে যায়, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ২০১৩ সাল থেকেই একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি বহাল আছে। অর্থাৎ এটি নিছক সদিচ্ছার প্রশ্ন নয়, আইনি বাধ্যবাধকতারও প্রশ্ন। চুক্তি অনুযায়ী রাজনৈতিক অপরাধের অজুহাতে প্রত্যর্পণ ঠেকানো যায় ঠিকই, কিন্তু হত্যা, গুরুতর শারীরিক আঘাত, অপহরণ বা সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট অপরাধ এই ছাড়ের আওতার বাইরে। তবে চুক্তির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে আরও একটি ফাঁক রাখা আছে, অভিযোগ সরল বিশ্বাসে বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে করা হয়নি মনে হলে, কিংবা সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রত্যর্পণকে অন্যায্য বা নিপীড়নমূলক মনে হলে, ভারত তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। ঠিক এই ধোঁয়াশা জায়গাটিতেই এখন চলছে আসল লড়াই, আইনি টানাপোড়া, কূটনৈতিক দর-কষাকষি, আর নীরব রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ।

 

ছয় বছরের নির্বাসন থেকে দেড় দশকের মিত্রতা

শেখ হাসিনা ভারতের কাছে নিছক একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নন। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব ও তার পরিবারের হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ছয় বছর তিনি ভারতেই নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার শাসনামলে দুই দেশের সম্পর্ক পৌঁছায় নতুন উচ্চতায়; সীমান্ত নিরাপত্তা, যোগাযোগ, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ সরবরাহ, উত্তর-পূর্ব ভারতের সংযোগ, এমনকি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নীতিতেও দুই দেশ একসঙ্গে হেঁটেছে দীর্ঘ পথ। অভিযোগ আছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্বের ঊর্ধ্বে নানা সময় ভারতের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা তার শাসনামলে নিজেই বলেছিলেন, “ভারত কে যা দিয়েছি তা সারাজীবন মনে রাখবে।” তাই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যখন তিনি ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পা রাখলেন, সেটি ছিল একই সঙ্গে পুরোনো ঋণ শোধের মানবিক সিদ্ধান্ত, আর দীর্ঘদিনের কৌশলগত বিনিয়োগ রক্ষার রাজনৈতিক হিসাব।

আর সাম্প্রতিক ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। ২০২৬ সালের আগস্টে দিল্লিতে বসে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে জ্বলে উঠেছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক টানাপোড়া। ঢাকার অভিযোগ স্পষ্ট- একজন দণ্ডিত সাবেক নেতাকে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া নিছক আশ্রয়দান নয়, বরং তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপেরই নামান্তর। ফলে বিষয়টি এখন কেবল একটি প্রত্যর্পণ মামলা নয়, দুই প্রতিবেশীর পারস্পরিক আস্থার প্রশ্নেও রূপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরও এই সংকটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে, ঢাকা স্পস্টভাবে বলেছে, সফরের জন্য প্রয়োজন একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’, যার অন্যতম বিষয় শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণে ভারতের সহযোগিতা।

 

একটি জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন

দালাই লামাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত চীনের প্রবল আপত্তি উপেক্ষা করেছিল। শ্রীলঙ্কান তামিলদের পাশে দাঁড়িয়েছিল মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের বেলায় একই ভারত হয়ে উঠেছে আপোশহীন, কঠোর। এই বৈপরীত্যই বলে দেয়- ভারতকে “সব নিপীড়িতের আশ্রয়দাতা” বলাটা যেমন অতিসরলীকরণ, তেমনি একে “শুধুই স্বার্থবাদী” বলাও ইতিহাসের প্রতি অবিচার। বাস্তবতা এই দুইয়ের মাঝামাঝি। নীতিগত মানবিকতা আর ভূরাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের এক জটিল সমীকরণ, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপট।

শেখ হাসিনার প্রশ্নে তাই আজ ভারতকে একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে তিনটি ভিন্ন চাপ। আইনি বাধ্যবাধকতা, কূটনৈতিক সম্পর্ক, আর দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থ। তাকে ফেরত দিলে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে খুলতে পারে নতুন এক অধ্যায়, কিন্তু বন্ধ হয়ে যাবে দিল্লির দীর্ঘদিনের এক ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্রতার পাতা। ফেরত দিলে প্রতিবেশী দেশগুলো সহ আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের আশ্রয়নীতি নিয়ে কী বার্তা যাবে, এটিও ভারতের কপালে আরেক চিন্তার ভাঁজ। আবার ফেরত না দিলে, বাংলাদেশের চোখে ভারতের ভাবমূর্তি “আশ্রয়দাতা” থেকে বদলে হয়ে যাবে এক ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারের “নিরাপদ ঘাঁটি”- তে।

 

দালাই লামা থেকে শেখ হাসিনা- ভারতের আশ্রয়ের ইতিহাস তাই কোনো সরলরেখা নয়। এখানে মানবিকতার গৌরবময় অধ্যায় যেমন আছে, তেমনি আছে রাষ্ট্রীয় স্বার্থের নিরেট হিসাব। কখনো আশ্রয় হয়ে উঠেছে নৈতিক অবস্থানের প্রতীক, আবার কখনো নিছকই কৌশলগত সম্পদ।

শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না শুধু একটি আদালতের রায়। নির্ধারণ করবে ভারত নিজেই। সে তার আশ্রয়ের পুরোনো ঐতিহ্যকে কতটা গুরুত্ব দেয়, নাকি প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক, প্রত্যর্পণ চুক্তি আর ন্যায়বিচারের দাবিকে প্রাধান্য দেয়। কারণ প্রশ্নটা শেষমেষ এখানেই এসে দাঁড়ায়, আশ্রয় কি কেবল বিপন্ন মানুষের অধিকার, নাকি ক্ষমতাচ্যুত শাসকের জন্যও এক ধরনের রাজনৈতিক সুরক্ষাকবচ?

এই প্রশ্নের উত্তরই আগামী দিনে শুধু শেখ হাসিনার ভাগ্য নয়, নির্ধারণ করবে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ভারতের “আশ্রয়দাতা” পরিচয়ের প্রকৃত অর্থও।

 

 

লেখক,

হাবিব আল মিসবাহ

• শিক্ষার্থী : আল-কুরআন এণ্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

• উপ-দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

• নিউজ এডিটর, কুষ্টিয়া সার্কেল (আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল)

• ইবি ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, প্রেস পয়েন্ট (অনলাইন নিউজ পোর্টাল)

মোবাইল : ০১৬১১-৫৬৩৮১৯

মেইল : hmh42242@gmail.com

লেখক: দপ্তর সম্পাদক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শেয়ার বিজ পত্রিকায় প্রকাশিত।
প্রকাশিত: শেয়ার বিজ
Paper Cutting
লিংক কপি হয়েছে!

ফোরাম ব্লাড ব্যাংক

রক্তদাতা খোঁজা হচ্ছে...

জরুরি প্রয়োজনে রক্তদাতা খুঁজুন

উপরের ফর্ম থেকে রক্তের গ্রুপ ও ঠিকানা নির্বাচন করে অনুসন্ধান করুন।