মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ চাই
একবিংশ শতাব্দীতে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির অন্যতম দূষক মাইক্রোপ্লাস্টিক। প্রতিদিনের খাবার, পানি, বাতাস, প্রসাধনী, পোশাক ও প্লাস্টিকজাত অসংখ্য পণ্যের মাধ্যমে মানুষের রক্তে, ফুসফুসে, মস্তিষ্কে এবং মাতৃগর্ভের প্লাসেন্টায় প্রবেশ করছে এই অদৃশ্য দূষক, যা পুরো মানবজাতির জন্য উদ্বেগজনক। বর্তমান বাস্তবতায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পুরোপুরি এড়িয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। কেননা এটি ইতোমধ্যে পরিবেশের প্রায় সব স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সচেতন জীবনযাপনের মাধ্যমে শরীরে এর প্রবেশের পরিমাণ অনেকটাই কমানো সম্ভব। প্লাস্টিকের বদলে কাচ বা স্টেইনলেস স্টিলের বোতল বা খাবারের পাত্র ব্যবহার বাড়ানো, গরম খাবার কখনোই প্লাস্টিকের পাত্রে না রাখা, নিরাপদ ও মানসম্মত পানি ব্যবহার, সিনথেটিক কাপড়ের বদলে সুতি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক তন্তুর পোশাক ব্যবহার শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রবেশ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তাই প্লাস্টিক উৎপাদন ও ব্যবহারে কার্যকর নীতিমালা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, শিল্পকারখানার ওপর কঠোর নজরদারি এবং নিরাপদ বিকল্প পণ্যের ব্যবহার যেন নিশ্চিত করা হয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
